সাংবাদিক ও কবি শিরিনা আফরোজ
১৩/০৬ /২০২১

ভেবেছিলাম বিরামহীন বৃষ্টি ভিজে
এবার নিশ্চিত – মরা কাঠ গোলাপের গাছটা
ভরে উঠবে ফুলে ফুলে।
ভেবে ছিলাম এই বরষার জলে
ক্যাকটাস বাগান টা সাজবে ফুলে ফুলে।
কিন্তুু কি জানতাম ভাবনা গুলো
নির্দয় ভাবে হারবে।
কিন্তুু কি জানতাম মেঘের আকাশ
এমনি করে কাঁদবে।
অতি বর্ষনের জলে ডুবে
গাছ গুলোই গেলো পরে
গোড়ার মাটি আলগা হয়ে
ভাসলো স্রোতের তোড়ে।
কখনও কখনও যা ভাবি না
ঠিক তাই হয়ে যায়।
কখনও কখনও সময় পরিস্থিতি
করে দেয় নিরুপায়।
শ্রাবনের এই এক ধরন
যখন তখন আড়াল করে দেয় চাঁদ
মানুষ্য জীবনে কেউ কেউ ডোবে
ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে অন্যের পাতা ফাঁদ।
যারা ফাঁদ পাতে তাদের মনে
কতনা রকম হাসি।
আর যে ফাঁদে পরে তার অন্তরে
নিরব কান্না করুন বিরহ বাঁশি।
কিন্তুু যখন বর্ষা শেষে শরৎ ফিরে আসে
মেঘের ছুটি সূর্য কেমন খিল খিলিয়ে হাসে।
প্রকৃতির নির্ভুল শিক্ষা
জীবন ও এক রহস্যের খেলা।
এই ভাঙা এই গড়ায় কেটে
যায় সকাল কেটে যায় সন্ধ্যা বেলা।
জমি জমার পাহাড় গড়েও
মালিকানা কারো নয়।
সব কিছু জমার খাতায়
খালি হাতেই ফিরতে হয়।
তবু মানুষ ছল করে, করে কতো অভিনয়।
জিততে জিততে নির্মম ভাবে
কেউ কেউ হেরে যায়।
কিন্তুু চাইলে বিধাতা মরা গাছেও
কাঠ গোলাপ তো ফোটে।
এমনও তো হয়
মরতেও মরতেও কেউ কেউ বেঁচে ওঠে।
দুঃসময়ের অবসান হয়ে
সুদিন ফিরে আসে।
মেঘ কেটে গিয়ে সূর্য
যেমন ওঠে পুব আকাশে।
রয়েছি অপেক্ষায়, কোন না কোন পথে
সেই সুখবর আসবে।
করুন বাঁশির আশাহীন প্রানে
বেঁচে ওঠার সুরে বাজবে।