নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম বলেছেন, জনগনকে সেবা করতে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়োজিত করেছেন। আমরা যারা জনগনের সেবক তারা কখনও নিজেকে জমিদার মনে করবো না। কেননা আমরা কেউ কেউ জনগনের ভোটে নির্বাচিত আবার কেউ কেউ জনগনকে সেবা দিতে সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসাবে নিয়োজিত হয়েছি। সেবা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পূন্যের কাজ। আমরা আমাদের কর্তব্য যথাযথ ভাবে পালন করে আমাদের রিজিক হালাল করবো। এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা থাকা উচিত। রবিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জেলার নাজিরপুরে মাছের পোনা অবমুক্ত , উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মান কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং হিন্দুদের দূর্গাপূজা উপলক্ষে নিজ তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান প্রদানের পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এসবস কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের সকল ধর্মের মানুষের অংশ গ্রহনে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কাজেই দেশটিতে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা এসএম রোকনুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ সাঈদুর রহমান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক (ডিডি) মো. আনিচুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার, এলজিইডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সত্তার হাওলাদার, জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক গোপাল বসু প্রমখ।
এর পরে
শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম তিনি বলেছেন, যে বাঙ্গালিত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের ২ লক্ষ মা বোনদের সমরম দিতে হয়েছিল, আপনারা কেন ভুলেযান যে একাত্তরের জারজসত্তা যাদের ভিতরে আছে তারাই কিন্তু আপনার বোনকে, আপনার মেয়েকে পাকহানাদারদের কাছে তুলে দিয়েছিল। নিজেদের ভিতরে কোন কলহ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনষ্টনা করে। কোন ধর্মে ইখারা পকিছুবলা হয় নাই। সকল ধর্মের মূলকথা কিন্তু সৃষ্টির সেবা, সৃষ্টিরকল্যান,অসত্বকে গ্রহন নাকরা সত্বকে গ্রহন করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত অনুদান সহ জেলা পরিষদ ও হিন্দু কল্যান ট্রাষ্টির পক্ষ থেকে ১২৫ টি পুঁজা মন্ডপে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।